বার্তা :
❤️ #প্রাথ‌মিক_শিক্ষার_লক্ষ্য: প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে শিশুর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, নৈতিক, মানবিক, নান্দনিক, আধ্যাত্মিক ও আবেগিক বিকাশ সাধন এবং তাদের দেশাত্মবোধে, বিজ্ঞানমনস্কতায়, সৃজনশীলতায় ও উন্নত জীবনের স্বপ্নদর্শনে উদ্বুদ্ধ করা। ❤️ #শিক্ষক: শিক্ষাদানের মহান ব্রত যার কাজ তাকেই শিক্ষক বলা হয়। ❤️ #শিক্ষা: মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত অনেক কিছুই শেখে। কোনো ব্যক্তি যা কিছু শেখে তাকেই আমরা ‘শিক্ষা’ হিসেবে অভিহিত করতে পারি। #আবার মানু‌ষের কা‌ঙ্ক্ষিত বাঞ্ছিত এবং ই‌তিবাচক প‌রিবর্তনই হ‌লো শিক্ষা। ❤#শিক্ষাক্রম: শিক্ষাক্রম হলো শিক্ষা পরিকল্পনা; যা বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃক পরিকল্পিত ও পরিচালিত যাবতীয় শিখন-শেখানো কার্যাবলি। ❤ #যোগ্যতা_ভিত্তিক_শিক্ষাক্রম: যে শিক্ষাক্রমে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা শেষে প্রত্যেক বিষয় ও শ্রেণির নির্ধারিত অর্জন উপযোগি যোগ্যতাগুলো ক্রমানুসারে অর্জন করার লক্ষ্যে বিন্যস্ত করা হয়েছে তাকে যোগ্যতা ভিত্তিক শিক্ষাক্রম বলে। ❤️ #শিখনক্রম: কোন একটি প্রান্তিক যোগ্যতা অর্জনের জন্য শ্রেণিভিত্তিক প্রারম্ভিক পর্যায় থেকে চূড়ান্ত পর্যায় পর্যন্ত ঐ যোগ্যতার বিভাজিত অংশের ক্রমবিন্যাশকে শিখনক্রম বলে। ❤#আবশ্যকীয়_শিখনক্রম: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রণীত শিখনক্রম গুলোর মাধ্যমে শিশুরা তাদের জন্য নির্ধারিত যোগ্যতাগুলো অবশ্যই পুরাপুরিভাবে শিখবে বলে আশা করা যায়। এ কারণে এ শিখনক্রমগুলোকে আবশ্যকীয় শিখনক্রম বলে। ❤#যোগ্যতা: পঠন পাঠনের মধ্য দিয়ে কোন জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিপূর্ণভাবে আয়ত্ব করার পর শিশু তার বাস্তব জীবনে প্রয়োজনের সময় কাজে লাগাতে পারলে সেই জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির সমষ্টিকে যোগ্যতা বলে। ❤️ #শ্রেণি_ভিত্তিক_অর্জন_উপযোগী_যোগ্যতা: কোন শ্রেণিতে কোন্ কোন্ যোগ্যতা শিক্ষার্থীগণ কতটুকু অর্জন করবে- যোগ্যতার প্রকৃতি ও শিক্ষার্থীর সাধারন শিখন ক্ষমতা অনুসারে তা বিভাজন ও বিন্যস্ত করা হয়। এভাবে শ্রেণি অনুসারে যোগ্যতা সমূহের বিভাজন ও বিন্যাসকে শ্রেণি ভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা বলে। ❤️ #প্রান্তিক_যোগ্যতা: পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা যে চিহ্নিত অর্জনযোগ্য যোগ্যতাগুলো ( জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি) অর্জন করবে বলে নির্ধারিত রয়েছে, সে গুলোকে প্রাথমিক শিক্ষার প্রান্তিক যোগ্যতা।
০১/০১/১৯৭২
মায়ের কাছে হাতে খড়ির পরেই আপনার সন্তানের জন্য প্রয়োজন একটি ভালো মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যেখান থেকে সে পাবে জীবন গড়ার আদর্শ সুশিক্ষা ও নৈতিকতার অনুপ্রেরনা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ১৯৭২ সনে কমলাপুরনিবাসী শিক্ষানুরাগী জনাব ইমাম উদ্দিন আহমেদ স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান "কমলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়" প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যবদি সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। আপনার সন্তানের শিক্ষা জীবন শুরুর সঠিক ও আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে একবার যাচাই করার জন্য অনুরোধ করছি।
94%
এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিকে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে রূপান্তর করা এবং ফরিদপুর সদর উপজেলার সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তোলা।
কমলাপুর লালের মোড়, ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর।মোবাইল:01309-108748

নোটিশ বোর্ড এবং ইভেন্ট:

  •   শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩  


শিক্ষকমণ্ডলী



কমিটির সদস্যবৃন্দ



কর্মচারিবর্গ



গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইটসমূহের তালিকা

ফরিদপুর জেলা

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

ই-বুক

শিক্ষক বাতায়ন

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)

আমাদের অনুসরণ করুন
অর্থপ্রদান
আমাদের সম্পর্কে
  • phone ০১৯
  • mail
  • place , ফরিদপুর